মেস ব্যবসার প্রতিবাদ করায় চাচাকে দিয়ে ছাত্রলীগ নেত্রীকে ধর্ষণের হুমকি!

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১৩ অক্টোবর ২০২১ ১১:৩৮; আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২১ ০৪:৩৪

২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বোটানি বিভাগের ছাত্রী সামিরা মাহমুদ মিথী এবং চাচা পরিচয়দানকারী ‌খোরশেদ আলম মোহাম্মদ (শুভ)।

মেস ব্যবসার প্রতিবাদ করায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়অর্থনীতি বিভাগের ১০ম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রলীগের সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য ফৌজিয়া আফরিন প্রিয়ন্তীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বোটানি বিভাগের ছাত্রী সামিরা মাহমুদ মিথীর চাচা পরিচয়দানকারী ‌খোরশেদ আলম মোহাম্মদ (শুভ) এর বিরুদ্ধে। এরকম একটি ভিডিও আমাদের দিন এর হাতে সংরক্ষিত রয়েছে। এ অভিযোগে ভুক্তভোগী ছাত্রলীগ নেত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর একটি অভিযোগপত্র দিয়েছেন।

অভিযোগে তিনি বলেন, বিনীত নিবেদন এই যে, আমরা আপনার নিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্রী। আমি গত মার্চ ১ তারিখে ৬১ নম্বর লক্ষ্মীবাজারের পাশে একটি বাসায় মেসে উঠি, সেখানে মেসের দায়িত্বে থাকা ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বোটানি বিভাগের ছাত্রী সামিরা মাহমুদ মিথী মেস ব্যবসার সাথে জড়িত এবং বিভিন্ন সময় মেস মালিক হিসেবে প্রভাব খাটিয়ে মেসের বিভিন্ন মেয়েদের সাথে শারীরিক ও মানুষিক নির্যাতন করে আসছে।

অভিযোগে আরো বলেন, ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের বোটানি বিভাগের ছাত্রী সামিরা মাহমুদ মিথী শুরু থেকে বাসায় দায়িত্বে থাকার প্রভাবের কারণে বিভিন্ন সময় মেয়েদের মানসিক ও শারিরীক নির্যাতন করে থাকে। তার কথামতো না চললে মেস থেকে বের করার হুমকি দেয়, এই অনিয়মের প্রতিবাদ করার কারণে বিগত কয়েকমাস ধরে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তিনি রেগে গিয়ে তার জের ধরে গত ১০ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০ দিকে তার চাচা খোরশেদ আলম মোহাম্মদ (শুভ) সহ ৮/১০ জন সহস্র সন্ত্রাসী বাহিনী আমাকে এসে ধর্ষণের চেষ্টা শারীরিক অত্যাচার ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে,পরে বাড়ির মালিক এসে সামাল দেয়। অভিযোগে ফৌজিয়া আফরিন প্রিয়ন্তী দাবী করে সকল তথ্য প্রমাণ সাক্ষী ও ভিডিও তার হাতে  আছে।

এবিষয়ে ফৌজিয়া আফরিন প্রিয়ন্তী বলেন, ‘সামিরা মাহমুদ মিথী রাতে পাঁচ-ছয়জন পুরুষ এনে আমাকেসহ সবাইকে অকথ্য ভাষায় থ্রেট দেয় এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। তাছাড়া রাতে মেয়েদের পোশাক কেমন থাকে সবাই জানে। এটা আমাদের জন্য খুবই বিব্রতকর। তিনি আরও বলেন, মেয়েটির পক্ষে মেসের কোন সদস্য নেই। তার বিরুদ্ধে পুরাতন মেস ব্যবসার অভিযোগ আছে।’ তিনি মেস ব্যবসার সাথে জড়িত,সাধারণ ছাত্র ছাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেন,কথা বললেই মেস থেকে বের করার হুমকি ধামকি দেয়। আমার অপরাধ আমি অনিয়মের প্রতিবাদ করছি।

 

 



বিষয়:


আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর
Top